নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীন ভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় প্রচারণা শেষ হয়। প্রার্থীরা হচ্ছেন আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বড় ভাই সেলিম ওসমান, এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পদত্যাগী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আকরামের, গামছা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম দেলাওয়ার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মামুন সিরাজুল মজিদ।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০৫ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩১১ ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬৮ হাজার ০৯৪ জন। আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪১টি এবং ভোটার কক্ষ ৬৭৪টি। ভোটারদের মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাড়ে বন্দর সিটি করপোরেশনের ৯টি সিটি ওয়ার্ড ও ৫টি ইউনিয়নে ভোটার ২ লাখ ১০ হাজার ৯৬ যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১লাখ ১ হাজার ৪৭৯ ও মহিলা ভোটার ৯৯ হাজার ৬১৭ জন।
ভোট কেন্দ্র ৮৯ টি ভোটার কক্ষ ৪১৭টি। শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পাশে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার আওতাধীন সিটি করপোরেশনের ৪টি পূর্ণ ও ৪টি আংশিক ওয়ার্ডের ভোটার ১ লাখ ৪১ হাজার ৩০৯ ভোট। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭২ হাজার ৮৩২ ও মহিলা ভোটার ৬৮ হাজার ৪৭৭ জন।ভোট কেন্দ্র ৫২ টি ভোটার কক্ষ ২৫৮টি ।
ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্ত্বায় থাকবে অস্ত্রসহ চারজন পুলিশ, দু’জন আনসারসহ মোট ১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। ১২ জন আনসার সদস্য লাঠি নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে (পুরুষ-৬, মহিলা-৬)। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পাঁচজন পুলিশ এবং দুজন আনসার অস্ত্রসহ মোট ১৯ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দুই ধরনের ভোটকেন্দ্রের তালিকা তৈরি করেছে। আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এতে গুরুত্বপূর্ণ ৯৮টি ও সাধারণ ৪৩টি কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি না হয় সে জন্য আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখা হবে। পাশাপাশি বাড়তি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে।
নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে অবস্থিত র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল আনোয়ার লতিফ খান বলেন, উপ নির্বাচনের নিরাপত্তার নিশ্চিত করার জন্য ১ হাজার র্যাব সদস্য নির্বাচনী এলকার মধ্যে টহল দিবেন। র্যাব-১১ এর টিম সার্বক্ষনিক নির্বাচনের নিরাপত্তায় টহল দিবে। আমাদের এ বিশেষ টহল থাকবে শুধু মাত্র নির্বাচন কেন্দ্রিক। আর আমাদের অন্যান্য কার্যক্রম আগের মতই থাকবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদউদ্দিন বলেন, নির্বাচনে থাকবে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা’র চেয়েও বেশী ফোর্স থাকবে। ১০টি কেন্দ্রের জন্য মোবাইল টিম থাকার কথা থাকলেও ৪-৫টি কেন্দ্রের জন্য একটি মোবাইল টিম থাকবে। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে র্যাব ও বিজিবি।
ঢাকা,এএইচ,২৬ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) //এসএইচ





