দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান তার প্রতিবেশী এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে অন্ত:সত্বা করেছেন বলে অভিয়োগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, সাতবছর আগের ঐ নারীর স্বামী মারা যায় । গত দুই বছর ধরে হাবিবুর সেই নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিল । ফলে সেই নারী অন্ত:সত্বা হয়ে পরেন এবং বিয়ের জন্য চাপ প্রদান করেন।বিয়ের দাবিতে হাবিবুরের বাড়িতে গেলে ঐ নারীকে নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে । এতে ঘটনাস্থলেই দুইটি মৃত সন্তান প্রসব করেন এই বিধবা।

এলাকাবাসী জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন প্রতিবেশী হবিবর রহমান। এতে ওই বিধবা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে হবিবরকে বিয়ের জন্য চাপ দেন তিনি। এতে হবিবর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ওই নারীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এতে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী মৃত সন্তান প্রসব করেন।

প্রতিবেশীরা জানায়, হবিবর, তার ভাই রহমান, হবিবরের স্ত্রী মর্ছিয়া বেগম এবং রহমানের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ওই নারীকে শারীরিক নির্যাতন করে। এতে ঘটনাস্থলে ওই নারী একটি মৃত সন্তান প্রসব করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন জানা যায়, রাতে গ্রামের রাস্তায় ওই বিধবাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পায়।এবং স্থানীয় কয়েকজন ওই নারীকে তাঁর বাড়িতে রেখে আসে। রাতেই বাড়িতে আরেকটি মৃত সন্তান প্রসব করলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। গ্রাম পুলিশের সহায়তায় ওই নারীকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক শামীম শাহরিয়ার গনমাধ্যমকে জানান, ওই নারী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। নির্যাতনের সময়ে সন্তান প্রসব করায় তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নাজিব