সিলেটের ব্যাংকগুলোতে ২৬ হাজার কোটি টাকা অলসভাবে পড়ে আছে। সিলেট অঞ্চলে শিল্প-কারখানায় বিনিয়োগে তেমন কেউ এগিয়ে না আসার কারণে দিনের পর দিন এই অর্থের পরিমাণ বাড়ছে। শুধু প্রবাসীরা নয় খোদ মেয়রও এ জন্য দায়ী করছেন বিভিন্ন স্তরের অসততাকে। আর শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পৃষ্ঠপোষকতার অভাব।

প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট নগরী জুড়ে রয়েছে বিশাল বিশাল মার্কেট আর আবাসিক হোটেল। বিনিয়োগে ঝুঁকি কম মনে করে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীরা এই খাতেই বিনিয়োগ করছেন। তবে সম্প্রতি প্রবাসীরা উৎসাহী হয়ে ওঠেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়। দেড় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগও করেছেন। কিন্তু শিল্প কারখানা স্থাপনে কেউ এগিয়ে আসেননি। শিল্পখাতে বিনিয়োগের জন্য পরিস্থিতি অনুকূলে নয় বলে জানালেন এক প্রবাসী। একই অভিমত সিটি মেয়ররেও।

প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ডি. মিয়া বলেন, কোনো কাজ আগ্রহ নিয়ে করতে গেলে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত শুধু ঘুষ আর ঘুষ দিতে হয়। যার কারণে বেশীরভাগ প্রবাসীরা চলে যায়।

একইভাবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, যখন কোনো প্রবাসীরা কাজ শুরু করে আর সেই কাজে প্রতিবন্ধকতা দেখলে তারা চলে যায়।

প্রবাসীদের বিনিয়োগের উৎসাহিত করতে ২০০২ সালে সিলেটে বিনিয়োগ বোর্ডের অফিস খোলা হয়। কিন্তু উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে এটি কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলেন জানান সিলেট বিনিয়োগ বোর্ড বিপণন সহকারী মোঃ সাদেক হোসেন।

এমন পরিস্থিতি জন্য ব্যবসায়ীরা নেতারা সরকারের দুর্বলতাকে দায়ী করছেন। আর এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ওয়ানস্টপ সার্ভিসের প্রতি গুরুত্ব দিলেন বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে ২০০৫ সালে বিশেষ শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ২০১০ সালে জাতীয় সংসদে বিশেষ শিল্পাঞ্চল আইন পাসও করা হয়।

জেআই