ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর সেক্রেটারী সালাউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘আদর্শিক লড়াইয়ে পরাজিত ছাত্রলীগ বহিরাগত মুখোশধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা বিজয় দিবসকে কলংকিত করতে কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে।’

চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলা, নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদ ও বন্ধ ছাত্রাবাস খুলে দেয়ার দাবীতে চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বেলন, ‘ছাত্রলীগ এ দিন ফুল দিতে নয় বরং কলেজের দীর্ঘদিন থেকে লালিত সুনাম, ঐতিহ্য, পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ নস্যাৎ করে দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্রের মহড়া দেখিয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ নামধারী চিহ্নিত অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র হামলা করে ক্ষান্ত হয়নি। তারা কলেজের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাংচুর ও শিক্ষকদের লাঞ্চিত করে ছাত্রাবাসে ব্যাপক লুটতরাজ চালিয়েছে।

তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহারের মাধ্যমে কলেজের অধ্যক্ষকে কয়েক ঘন্টা জিম্মি করে রেখে জোর পূর্বক ছাত্রাবাস বন্ধ করে দিতে বাধ্য করেছে। সে সাথে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আটক করায় তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন তিনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা তাদের বিবেক, বুদ্ধি,সম্মান বন্ধক রেখে ঐ সব সন্ত্রাসীদের কাজকে উৎসাহিত করেছে। রাষ্ট্রীয় এসব বাহিনী তাদের সামনে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য অস্ত্রের ঝনঝনানি না দেখে উল্টো নিরীহ ছাত্রদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেছে।’

তিনি অবিলম্বে কলেজে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী চিহ্নিত এ সকল সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দ্রুত বন্ধ ছাত্রাবাস খুলে দেয়ার জোর দাবী জানান। অন্যথায় এর জন্য কোন অনাকাংখিত ঘটনা ঘটলে তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

শিবির নেতা সালেহ রায়হানের পরিচালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন এইচ এম রাশেদ, মামুন বিন মফিজ, এম আর সোহেল, কামাল কুতুবী, এস এম আমান, কুতুবুর রহমান প্রমুখ।

এমকে