হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ এবং তাদের বাড়ি-ঘর দখল করা কিছু সরকার সমর্থকদের মৌলিক অধিকার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাগো হিন্দু পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের বক্তারা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে বক্তারা অভযোগ করেন, হিন্দুরা কোন বিচার পায় না। হিন্দুরা দেশের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মনববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তানের বিধ্বংসী প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া কথা ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেই বিধ্বংসী হামলার শিকার হচ্ছে হিন্দুরা। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন, নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে।
তারা আরো বলেন, নির্যাতিত হিন্দুদের মধ্যে যাদের উপর মহলে পরিচিত লোক আছে তারা ওইখানে দৌড়ঝাঁপ করেন। আর যাদের কেউ নেই তারা দেশ ছেড়ে পালান।
এসময় জাগো হিন্দু পরিষদ কিছু দাবি উথাপন করে। দাবিগুলো হলো- দুর্গা পূজাতে তিন দিন সরকারি ছুটি ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা জোরদার করা। সারাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, নির্যাতন, জমি দখল, মন্দির ভাংচুরসহ সকল অত্যাচার বন্ধ করা এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা।
পরিষদের সভাপতি রণজিৎ দাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রর মনোরঞ্জন ঘোষাল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নিতাই দেবনাথ, হিউম্যান রাইটসের আডভোকেট রনবিন্দ ঘোষ, বাংলাদেশ হিন্দু সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হিরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সংগঠনের সদস্য শিশির দাস প্রমুখ।
এমএ/ এআর





