কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার ৯ ইউনিয়নে অন্তত ১০ হাজার দুঃস্থ শীতার্ত পরিবার। সেখানে সরকারিভাবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে মাত্র দুই হাজার ১০৪টি। বরাদ্দকৃত ওই সব কম্বল এরই মধ্যে বিতরণ শেষ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় বিপাকে পড়েন ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বররা।
শুক্রবার বিকেলে রৌমারীর চরশৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বলেন, "আমার এলাকায় গরীব দুঃস্থ পরিবারের সংখ্যা পাঁচ হাজারের ওপরে। আর সেখানে আমাকে দেওয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩০০। এসব বিতরণ করতে গিয়ে আমরা খুবই সমস্যায় পড়ি।" একই ধরনের কথা জানান সব চেয়ারম্যানরাই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রৌমারীর ছয় ইউনিয়নে ১৪০৪ আর রাজীবপুরের তিন ইউনিয়নে ৭০০ কম্বল সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব কম্বল সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান-মেম্বরদের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সাখাওয়াত হোসেন জানান, দুই উপজেলায় নিঃস্ব দুঃস্থ পরিবারের সংখ্যা অন্তত ১০ হাজার যাদের ঘরে গরম কাপড় নেই। বর্তমানে প্রচন্ড ঠান্ডায় ব্রহ্মপুত্র চরজনপদের মানুষ কাবু হয়ে পড়েছে। আরো কম্বল ও শীতবস্ত্র বরাদ্দের আবেদন জানানো হয়েছে।
রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খান ও রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, জরুরিভাবে আরো কম্বল ও শীতবস্ত্র চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর ই-মেইল পাঠানো হয়েছে।
এমএ





