স্বৈরাচার এরশাদ সরকার বিরোধী আন্দোলনকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আশ্রয় নিয়ে রাত যাপন করে ছিলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ এবং আবদুল জলিলসহ আরো অনেকে বললেন সাংবাদিক নেতা কবি আবদুল হাই শিকদার।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত ' জাতীয় প্রেসক্লাবে হামলা, বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দেয়া, সাংবাদিক নির্যাতন,সাগর-রুনির প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার এবং প্রণীত সম্প্রচার নীতি মালা বাতিলের' দাবিতে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কবি আবদুল হাই শিকদার এ কথা বলেন।
সাংবাদিক সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ডিইউজের সাবেক সভাপতি আবদুস শহিদ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মহসিন, সাধারণ সম্পাদক মীর আহমেদ মীরু, সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল আউয়াল ঠাকুর, ডিইউজের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন হাসনাত, সাংগঠনিক সম্পদক রফিক মোহাম্মদ প্রমুখ।
ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, অতিতে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জাতীয় নেতারা সাংবাদিকদের কাছে ছুটে এসেছেন। তাদের সঙ্গে সাংবাদিকরা সব সময় সৌজন্যতা বজায় রেখেছেন। নিরাপত্ত্বার জন্য জাতীয় নেতারা জাতীয় প্রেসক্লাবে আসেন। আর সাংবাদিক নেতারাও তাদের নিরাপত্ত্বা দেয়াসহ সৌজন্যতা বজায় রেখেছেন।
কিন্তু গত ৫ ও ৬ জানুয়ারি বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জ ফকরুল ইসলাম আলমগীরের উপর প্রতিপক্ষের সাংবাদিক নেতা-কর্মীদের সহযোগিতায় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। তারা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে অপমান করে জাতীয় প্রেসকক্লাবের মর্যাদা ক্ষুন্নু করেছে।তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে, আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।
তিনি বলেন, অথচ গত ৫ জানুয়ারি, দুপুরে প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ তার সমর্থিত ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সমাবেশ বক্তব্য রেখেছেন।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, ওই দিন আমরা (জাতীয়তাবাদী) সাংবাদিকরা মাহবুব উল হানিফের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছি। এমনকি আমাদের সমাবেশের কার্যক্রম সাময়িক মূলতবি রেখেছিলাম। কিন্তু তারা মির্জা ফকরুল ইসলামের সঙ্গে চরম বেয়াদবি করেছেন।
আবদুল হাই শিকদার ,গুলশানে অবরোদ্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের উপর যুবলীগ- ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলা এবং পুলিশের পিপার স্প্রে নিক্ষেপের ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের দাবি জানান।
তিনি বন্ধ মিডিয়াকে খুলে দেয়া এবং একুশে টিভির চেয়ারম্যান আবদুস সালামের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনির খুনিদের গ্রেফতারের দাবি জানন।
একে,





