চাঁদা না দেয়ায় নড়াইল সদর উপজেলার বামনহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এ বরখাস্তের নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে বিদ্যালয়ের সভাপতি সুশান্ত বিশ্বাস।

প্রধান শিক্ষক দীপক কুমার সাহা অভিযোগ করে জানান, তার নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি সুশান্ত কুমার বিশ্বাস। চাঁদা না দেয়ায় তাকে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্তের যথাযথ রেজুলেশন এবং কমিটি’র সকলের সাক্ষর পর্যন্ত নেই। প্রধান শিক্ষক আরোও জানান, তার বিরূদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করে আসছে।

এ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করে চাকুরী না পাওয়ার পর থেকে প্রধান শিক্ষক দীপক কুমার সাহা’র সাথে শত্রুতা করে যাচ্ছেন।

তাছাড়া সুশান্ত বিশ্বাস বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ার জন্য তার পক্ষে কাজ করতে প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করেছিলেন। সে অন্যায় আবদার রক্ষা করতে না পারায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। সে কারনে নানাভাবে নাজেহাল করছেন তাকে (প্রধান শিক্ষক দীপক সাহা কে)।

সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠেন। বিদ্যালয়ের সকল কাগজপত্র, আয় ব্যয়ের কলামনার ক্যাশ বুক ও রেজুলেশন খাতা সহ সবকিছু তার নিকট দিয়ে দিতে বলেন।

তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের সকল কাগজপত্র সভাপতির বাড়ি থাকবে। প্রধান শিক্ষক দীপক সাহা বিদ্যালয়ের কাগজপত্র দিতে রাজি না হওয়ায় সভাপতি সুশান্ত আরোও ক্ষুব্ধ হয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেয়ায় মিথ্যা অভিযোগে বিদ্যালয়ে বরখাস্তের নোটিশ টানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের সভাপতি সুশান্ত বিশ্বাস জানান অনেক কারনে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। এতদিন পরে নোটিশ দেয়ার কারন এবং কিকি কারনে বরখাস্ত করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সেটা তিনি বলতে পারবেন না।

এসএইচ