নীলফামারীর চার ছিট মহলে বসবাসকারী ১১৯টি পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা ৫৪৫ জন।
সদ্য সম্পন্ন হওয়া জনগণনার তথ্য মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।
৫৪৫ জনের মধ্যে পুরুষ ২৮১জন এবং নারী রয়েছেন ২৬৪জন। ইতিপূর্বে ২০১১ সালের সমীক্ষায় ১১৯টি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ৫০৬ জন। তাদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ছিল ২৫৮ জন এবং নারী ছিল ২৪৮ জন।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজাউল করিম ডিমলা উপজেলার অভ্যন্তরে ভারতীয় চারটি ছিটমহলের যৌথ সমীক্ষা শেষে তথ্য প্রকাশ করেন। চলতি মাসের ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে চারটি ছিটমহলে জনগণনা সম্পন্ন করা হয়।
২০১১ সালের জনগণনার চেয়ে চলতি বছরের জনগণনায় ৩৯জন সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ঠিক রয়েছে পরিবারের সংখ্যা।
সূত্র মতে, ২০১১ সালের জরিপে ২৮ নম্বর বড় খানকি ছিটমহলে ২১টি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ৮৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৪৩ আর নারী ৪৩ জন।
এবার ৩জন বৃদ্ধি পেয়ে সংখ্যা হয়েছে ৮৯ জন। ৮৯ জনের মধ্যে পুরুষ ৪৫ আর নারী রয়েছেন ৪৪জন।
২৯ নম্বর ছিটমহল বড় খানকি গিদালদহে ২০১১ সালের জরিপে ৪৫টি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ১৮৬ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ছিলো ৯২ জন আর নারী ছিলেন ৯৪জন।
এবার ৮জন বৃদ্ধি পেয়ে সংখ্যা হয়েছে ১৯৪ জনে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ জন আর নারী রয়েছেন ৯৮জন।
৩০ নম্বর বড় খানকি খারিজা গিতালদহে ২০১১ সালের হিসেবে ৮টি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ৩৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১৯ জন আর নারী ছিলো ১৮ জন। এবার ৫ জন বৃদ্ধি পেয়ে সংখ্যা হয়েছে ৪২ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৪ জন আর নারী রয়েছেন ১৮ জন।
৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ি ছিটমহলে ২০১১ সালের জরিপে ৪৫টি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ১৯৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ১০৪ জন আর নারী ছিলো ৯৩ জন। এবার ২৩ জন বৃদ্ধি পেয়ে সংখ্যা হয়েছে ২২০ জনে। এদের মধ্যে পুরুষ ১১৬ আর নারী রয়েছে ১০৪জন।
ডিমলা উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, সদ্য সম্পন্ন হওয়া যৌথ সমীক্ষায় ভারতীয় দলে ১ জন সুপারভাইজারের নেতৃত্বে দু’জন গণনাকারী এবং বাংলাদেশ দলে সম সংখ্যক প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বলেন, ২০১১ সালের ১৫ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই ভারত বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে জনগণনা করা হয়। এবারের জনগণনায় ছিটমহলের কোনো বাসিন্দা ভারতে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেননি।
এএইচ





