জেলায় বন্যা-পরিস্থিতির ফের অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১৮ সেঃ মিঃ বেড়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
জেলার সাত উপজেলার ৪৬ ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল চন্দ্র শীল জানান, টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের কারণে পানি আরও বাড়তে পারে। যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীন নদ-নদীর পানিও বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে যে সকল এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছিলো সে সব এলাকা আবারও প্লাবিত হয়েছে।
এদিকে চরাঞ্চলসহ বন্যা কবলিত এলাকার উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার অন্তত ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল এখন পানির নিচে। কৃষকেরা জানান, নতুন করে পানি আসায় জমিতে লাগানো ফসল আর ফিরে পাবার আশা নেই। পানি নামার পর আবারও নতুন করে ফসল বুনতে হবে।
কিছু ত্রাণ বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই নগণ্য। যে কারণে বানভাসী মানুষ অনাহার অর্ধাহারে দিনানিপাত করছে। সেই সঙ্গে বিশুদ্ধ পানির অভাবেও তারা দুঃসহ জীবন যাপন করছে।
জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন জানান, এ পর্যন্ত জেলার বন্যা কবলিতদের জন্য সরকারীভাবে ২৫০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১৫০ মেট্রিক টন চাল বিতরণের জন্য মজুদ রয়েছে। আরও ত্রাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





