কাপ্তাই হ্রদে পানি এখনও ধারণ ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি গেট সাড়ে পাঁচ ফুট খুলে রাখা হলেও হ্রদের পানির উচ্চতায় তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে হ্রদে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৮ দশমিক ২৮ ফুট উচ্চতায় পানি আছে।
শুক্রবার দুপুরে কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক আবদুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই হ্রদে পানি ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৮ দশমিক ৩ ফুট উপরে। এ সময় চার ফুট করে পানি ছেড়ে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে পাঁচ ফুট ও পরে সাড়ে পাঁচ ফুট পর্যন্ত গেট খুলে দেওয়া হয়।
এতে হ্রদ থেকে প্রতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ঘনফুট পানি বের হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে দিন রাত সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন করার মাধ্যমেও প্রতি সেকেন্ডে আরো ৩৪/৩৫ হাজার ঘনফুট পানি ছাড়া হচ্ছে। এতে করে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ঘনফুট পানি ছাড়া হচ্ছে। এরপরও পানির উচ্চতায় তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি।
তিনি আরো জানান, শুক্রবার সকালে হ্রদে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৮ দশমিক ২৮ ফুট উচ্চতায় পানি ছিল। উজান থেকে পানি নামার কারণে পানি কমছে না। কাপ্তাই হ্রদে পানি আরো কিছু না কমা পর্যন্ত গেট খোলা থাকবে।
এদিকে, হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হ্রদ সংলগ্ন বিলাইছড়ি, লংগদু, জুরাছড়ি ও রাঙামাটির অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। অতিরিক্ত পানি ছাড়ায় চন্দ্রঘোনা-লিচুবাগান ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। রাঙামাটি-রাজস্থলী-বান্দরবান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ আছে। এছাড়া, স্পিলওয়ে দিয়ে বেশিমাত্রায় পানি ছাড়ায় চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চলের অনেক স্থানে নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে।
জেআই





