গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার জরমনদী গ্রামের রিক্সা চালক ফরিদ আহম্মেদের মেয়ে ফরিদা আক্তার এবারের এসএসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে।
ফরিদা সুন্দরগঞ্জ আমিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। শিক্ষার প্রতি প্রবল ইচ্ছা শক্তিকে দারিদ্রতায় দেবে রাখতে পারেনি তার অদম্য মেধাকে।
তার পিতা পেশায় একজন রিক্সা চালক, আর মাতা ছামিনা বেগম গৃহিনী। ৩ ভাই-বোনের মধ্যে ফরিদা প্রথম। ছোট বোন ফারজানা আক্তার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ও ছোট ভাই সাব্বির হোসেন দুরারোগ্যে আক্রান্ত হলেও সেও ৫ম শ্রেণিতে অধ্যায়ন করছে।
এই দরিদ্র পিতা-মাতার পক্ষে ৩ সন্তানের লেখপড়ার খরচ চালানো যেমন কষ্টকর তেমনি ছেলের চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে তাদেরকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
ফরিদার সপ্ন সে ডাক্তার হতে চায়। আর বিনামূল্যে সেবা করতে চায় মানুষের। তবে লেখাপড়ার ব্যয়ভার কে বহন করবে এ নিয়ে তার মনে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সে তার এই ভাল ফলাফলের জন্য পিতা-মাতা, শিক্ষক, হিতাকাঙ্খীদের প্রতি কৃজ্ঞতা জানায় এবং সকলের দোয়া কামনা করে।
উল্লেখ্য, অন্যত্রে বদলী হয়ে যাওয়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাবেক ইউএনও আহসান হাবিব তার লেখাপড়ার সার্বিক সহযোগীতা করে আসছেন। তবে এবারের এইসএসসি’র লেখা পড়ার ভার কে বহন করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তা যেন কাটছে না।
এমকে





