রোববার (৪ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার সন্ধ্যায় চুক্তি সই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

চুক্তিতে এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করবেন।

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

চুক্তির আওতায় চারটি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ কেনা হবে। এগুলো দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে ছয়টি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটে ব্যবহার করা হবে। যেখানে বড় উড়োজাহাজের প্রয়োজন নেই, সেখানে এসব উড়োজাহাজ দিয়ে তুলনামূলক কম ধারণক্ষমতার যাত্রী চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন, এয়ারবাসগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সালে শুরু হতে পারে এবং ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত তা চলতে পারে। তবে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার মোট বাণিজ্যিক মূল্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

এয়ারবাসের নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসও যুক্ত হবে। বর্তমানে বিমানের জেট উড়োজাহাজের বড় অংশই বোয়িংয়ের তৈরি।

এর আগে বিমান ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল। পরে আরও ১১টি যুক্ত হওয়ায় পরিকল্পিত বোয়িং উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টি।

এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় নতুন বোয়িং ও এয়ারবাস উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে মোট ৩৫টি। এর মধ্যে ১৯টি ওয়াইড-বডি এবং ১৬টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ।

নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি সক্ষমতার চাহিদা মেটাতে উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে বিমান।

৭ অক্টোবরের চুক্তির মাধ্যমে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় নতুন একটি ধাপ যুক্ত হবে। একই সঙ্গে এতদিনের বোয়িংনির্ভর ক্রয় পরিকল্পনায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে এয়ারবাস।

এস