জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নেওয়া তিন সচিব ও এক যুগ্ম-সচিবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রথমে তাদের কারণ দর্শাও নোটিস পাঠানো হয়েছে ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী সোমবার সন্ধ্যায় এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধার সনদ নেওয়ার ঘটনায় তিন সচিব ও এক যুগ্ম-সচিবের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।”
স্বাস্থ্য সচিব নিয়াজ উদ্দিন মিয়া, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সচিব এ কে এম আমির হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (ওএসডি) আবুল কাসেম তালুকদারকে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে।
জনপ্রশাসনের এই চার কর্মকর্তাকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে বলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গত ১৪ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসনের পাঁচ কর্মকর্তার মুক্তিযোদ্ধার সনদ ও গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়।
পরবর্তীতে গত ২২ সেপ্টেম্বর চার জনের সনদ ও গেজেট বাতিল করে আদেশ জারি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামানের (বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় বেসরকারিকরণ কমিশনের চেয়ারম্যান) মুক্তিযোদ্ধার সনদ ও গেজেট বাতিল না করে স্থগিত করা হয়।
তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও জানান জনপ্রশাসন সচিব কামাল নাসের।
জালিয়াতি করে সনদ নেওয়া প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
জেআই





