ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নারী নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়েছে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার বেলা বারোটার দিকে ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করতে যায় প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। মিন্টো রোডে তাদের বাধা দেয় পুলিশ।
এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জে আহত হন বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী।
উল্লেখ্য, পহেলা বৈশাখে নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ব্যানারে ১০ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেয় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।

বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, পহেলা বৈশাখের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে ১০ মে (রোববার) বেলা ১২টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।
পাশাপাশি একই দাবিতে ওইদিন সারা দেশের সব জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কথাও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঘটনায় জড়িত যৌন সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার, কর্তব্যরত পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার তদন্ত ও বিচার, প্রক্টরের অপসারণ, সার্বিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত, বিশ্ববিদ্যালয়ে হাইকোর্ট নির্দেশিত যৌন নিপীড়নবিরোধী নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বাসস্থান-শিক্ষাঙ্গন-কর্মস্থলে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে জাতীয়ভাবে যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা প্রণয়ন।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক লাকী আক্তার, সহ-সভাপতি আবু তারেক সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম জিলানী শুভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি লিটন নন্দী উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ, কেবি





