শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে 'রপ্তানিযোগ্য কৃষিপন্য উৎপাদন ও পতিত জমি ব্যবহারে ইউপি সদস্যদের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় এ চার প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতারা।

বাইসস চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) বাদল চন্দ্র বিশ্বাস।

সংগঠনটির নেতারা কৃষি কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি কৃষকের জন্য সহজলভ্য করে রপ্তানিযোগ্য কৃষি পন্য উৎপাদন করতে নিম্নোক্ত প্রস্তাবনাসমূহ উপস্থাপন করেন-

প্রস্তাবনা-১ : কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে স্মার্টকৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, নিয়ম-নীতি তৈরি এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে যেতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে তৃনমূল জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

প্রস্তাবনা-২ : রপ্তানীযোগ্য কৃষি উৎপাদনে তৃনমূল পর্যায়ে প্রতিনিধি অর্থাৎ ইউ.পি সদস্যদের সম্পৃক্ত করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি কল্পে সর্বত্তম উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রস্তাবনা-৩: দেশের বসতবাড়ি, পুকুরপাড়, খালের পাড়, বাড়ির আঙ্গিনায় ও অব্যবহৃত জমিতে উন্নত কৃষি প্রযুক্তির বিস্তার ঘটাতে হবে পরিপূর্ণভাবে। এসকল জমির অধিকাংশই এখনও পতিত পড়ে থাকে বছরের পর বছর। এসকল পতিত জমিতে উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষের আওতায় আনতে ইউ.পি সদস্যদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ভূমিকা রাখা অতীব জরুরী।

প্রস্তাবনা-৪ : আমাদের দেশের কৃষিকে আরও বেশি উৎপাদনমুখী হতে হবে এজন্য তৃনমূল পর্যায়ে ইউ.পি সম্পৃক্ত করা আবশ্যক। পতিত জমি কাজে লাগানো, এক জমিতে বছরে চার ফসল উৎপাদনে উদ্যোগ নিতে পারলে দেশে কৃষি বিপ্লব সম্ভব হবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাইসস মহাসচিব এম সাইফুল ইসলাম মোয়াজ্জেম, বাইসস'র নেতৃবৃন্দ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ইউ. পি সদস্যবৃন্দ।

এমআই