ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নে নুরে আলম (২৮) নামের এক মুয়াজিনের গলায় ফাসঁ লাগানো অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন।

রবিবার (৩ফেব্রুয়ারী) দুপুর ২টার দিকে ওই মসজিদের পাশে মুয়াজ্জিনের রুম থেকে এ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের আযান দেয় মুয়াজ্জিন। এরপরে মুসুল্লিরা জামায়াতে নামাজ পড়তে এসে মুয়াজ্জিনকে দেখতে পায়নি, অনেক ডাকাডাকির পরও না পেয়ে মুসুল্লিরা মুয়াজ্জিনের রুমে গিয়ে দেখেন জানালার গ্রিলের সাথে গলায় রশি লাগানো অবস্থায় মৃতদেহ ঝুলসে। পরে ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

মুয়াজ্জিনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২মাস আগে বিবাহ করে। সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করছে। তার স্ত্রীর সাথেও কোন ঝগড়া বিবাদ হয়নি। পারিবারিকভাবেও কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। হঠাৎ করে এমন মৃত্যূ মেনে নেয়া যায় না। কেন মারা গেল জানিনা। মনে হয় কেউ মেরে এমনভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে।

মুয়াজ্জিন নুরে আলম বাপ্তা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কেউ হত্যা করে এমনভাবে ঝুলিয়ে রাখছে। যেহেতু পাশে একটি খাট, জানালা, এবং পা দুটি সম্পূর্ণ মাটিতে রয়েছে।

ধনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.এমদাদ হোসেন কবীর জানান, দুপুরের দিকে খবর শুনে দৌড়ে এসে দেখি মুয়াজ্জিনের রুমের জানালার সাথে মৃতদেহ ঝুলসে। তারপর থানা পুলিশকে খবরে দেই। মুয়াজ্জিন অত্যন্ত একজন ভাল মানুষ ছিলেন। দীর্ঘ ৮ বছর এই মসজিদে নামাজ পড়ায়। তার মৃত্যুু কোনভাবেই মেনে নেয়া যাচ্ছেনা।

ভোলা সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) ছগির জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মর্গের রিপোর্ট না আসা পযর্ন্ত বলা যাবেনা। তবে মৃত্যুটি মনে হচ্ছে রহস্যজনক।

শাহিন/জেড