বেনাপোলে ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে বৃহষ্পতিবার সকাল থেকে দুর পাল্লার কোন পরিবহন ছেড়ে যায়নি।

পরিবহন ধর্মঘটের কারনে ভারত থেকে ফিরে আসা পাসপোর্ট যাত্রীরা আটকা পড়ছে বন্দর নগরী বেনাপোলে।

তবে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় সকালের দিকে বেনাপোল থেকে বিআরটিসি’র দুটি বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেলেও শত শত পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়েছে বেনাপোলের বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টার ও আবাসিক হোটেলে।

এ ব্যাপারে যশোর জেলা বাস মালিক সমিতির সেক্রেটারী পবিত্র কাপুড়িয়া ও যশোর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিন্টু জানান, আমাদের কোন ষ্টাফ বাস ডাকাতি ঘটনার সাথে জড়িত নয়। পুলিশ জোর পুর্বক তাদেরকে আটক করে চালান দিয়েছে। তাদেরকে নিঃশর্তে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত তাদের পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।

তারা আরও বলেন ড্রাইভার, হেলপার, সুপারভাইজার ও চেকারকে নিঃশর্তে মুক্তি না দিলে আগামী শনিবার থেকে এ রুটে সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোর রাতে সোহাগ পরিবহনের একটি এসি বাস ঢাকা থেকে ছেড়ে ফেরি পার হয়ে ফরিদপুরের মধুখালী নামক স্থানে আসলে যাত্রীবেশে বাসের ভিতর থাকা ৭/৮ জনের ডাকাতের একটি দল অস্ত্রের মুখে ড্রাইভারকে জিম্মি করে বাসের যাত্রীদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা সহ সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়।

পরে সকাল ৬ টার দিকে ড্রাইভার গাড়ী নিয়ে মধুখালী থানায় জিডি করতে গেলে সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ উল্টো ড্রাইভার,হেলপার , সুপারভাইজার ও এক চেকারকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

তাদের আটকের প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাত থেকে বেনাপোল হতে সকল ধরণের দূর পাল্লার পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এসএইচ