ঢাকার ধামরাই উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংর্ঘষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনার পর সেমিফাইনাল ম্যাচটি সমাপ্ত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সুয়াপুর ইউনিয়নের ঈশান নগর দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার বিকালে ফুটবল খেলার সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ম্যাচটিতে অংশগ্রহণ করেছিলো উপজেলার জামাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা। খেলার অতিরিক্ত সময়ের শেষের দিকে ২ দর্শকের মধ্যে খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায়ে জামাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষের লোকজন কুশুরা আব্বাস আলীর খেলোয়াড়ের ওপর দেশীয় অস্ত্র (বাশেঁর লাঠি ও খুর) নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এসময় উভয় দলের খেলোয়াড়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন দর্শক এবং খেলোয়াড় আহত হয়।

সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোরহাব হোসেন জানান, খেলার মধ্যে আকস্মিক মারামারির ঘটনার পরপরই আজকের ম্যাচটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদ জানান, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে জামাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের লোকজন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের ছেলেদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আমাদের ৮/১০ জন ছেলে আহত হয়।

ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জলিল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা, ২২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ