মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মাননীয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলিয় নেত্রী এবং পশ্চীম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ।
রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, হাউস অব লর্ডসের স্পিকারও শ্রদ্ধা জানান। এরপর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে কাল শনিবার জাতীয় পতাকা থাকবে অর্ধনমিত, উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা। সমগ্র জাতি অপার শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করবে মৃত্যুঞ্জয়ী ভাষাশহীদদের।
১৯৫২ সালের একুশের এই দিনটিতে ঢাকার রাজপথ হয়ে উঠেছিল উত্তাল। পাকিস্তানি শাসকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৪৪ ধারা ভেঙে মাতৃভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে পথে নেমে এসেছিল নানা বয়সী অসংখ্য মানুষ। বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলেছিল, ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’।
গুলি চালানো হলো মিছিলে। সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ বাংলা মায়ের অকুতোভয় সন্তানদের তাজা রক্তে রঞ্জিত হলো দেশের মাটি। ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার ওই আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।
ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মদানের দিনটিকে ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বাঙালির এই আত্মত্যাগের দিনটি তাই এখন আর বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয়, পালন করা হচ্ছে সারা বিশ্বে।
ফুলে ফুলে ঢাকা পড়বে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
রাত ১১টার পর থেকেই শাহবাগ, আজিমপুর, নীলক্ষেতসহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়ার প্রতিটি প্রবেশপথেই ছিল মানুষের মিছিলের সারি।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে যাবেন কি না-এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায় নি।তবে তিনি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রোদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
এআই/





