পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এলজিইডি সেল্টার সংলগ্ন সদর রোডের পার্শ্বে মার্কেটে সোমবার গভীর রাতে আগুন লেগে ২ দোকান ভস্মিভ‚ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আশপাশের আরো চারটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোমবার রাত ১২ টারদিকে ষ্টেশনারী দোকান ব্যবসায়ী আসলামের দোকানের ভীতরে আগুন জ্বলে ওঠে। মূহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে যায় পাশের দোকান ইব্রাহিম কবিরের প্রসাধণী ও ফাস্টফুডের দোকান সহ আশপাশে।
আগুনের লেলিহান দৃশ্য দেখে এলাকার কয়েক শত লোক জরো হয়ে বিভিন্ন হোটেল থাকা গ্যাস ছিলিন্ডার , পানি ও বালু দিয়ে অনেক চেষ্টায় প্রায় ২ ঘন্টা পরে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন।
এরই মধ্যে ২টি দোকান সহ ডাঃ আজিজ মীরের ঘর পুরো পুরি ভস্মিভ‚ত হয়। আংশিক পুরে যায় আশপাশের আরো চারটি দোকান ও বাসা সহ বেশ কিছু গাছপালা।
স্থানীয়দের চেষ্টায় রক্ষা পায় বাজারের আন্যান্য দোকান গুলো। প্রত্যক্ষদশীরা ধারনা করছেন বিদ্যুতের শট সার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিপাতের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কুয়াকাটায় অবস্থান করলেও রাতে না থাকায় এবং অগ্নিকান্ডের সময় তাদের না পাওয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ জানিয়েছেন উপস্থিত শত শত লোকজন।
তবে এলাকাবাসীর সাথে আগুন নিয়ন্ত্রনে কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও নৌ পুলিশ অংশ নেয়ায় পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে অনেকটা সহজ হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কাউন্সিলর মনির শরিফ বলেন,কুয়াকাটায় যদি ফায়ার সার্ভিসের টিম থাকতো তা হলে গত কাল ওই দোকান দুটির এত ক্ষয়ক্ষতি হতোনা, সরকারে প্রতি স্থায়ী ভাবে ফায়ার সার্ভিসে অফিস থাকার দাবি
এসএইচ





