বাংলাদেশি ওমরাহ পালনকারীরা ওমরাহ পালনের পর নির্দিষ্ট সংখ্যক দেশে ফিরে না আসার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা বন্ধ হয়ে গেছে বলে সংসদে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
সোমবার সকালে দশম জাতীয় সংসদে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের (২০৭৬ নম্বর) তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান, ২০১৫ সালে (১৪৩৬ হিজরি) ওমরাহ মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিক নিয়মেই স্থানীয় ওমরাহ এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের ওমরাহ বিভাগ থেকে বাংলাদেশিদের অনুকূলে ওমরাহ ভিসা ইস্যু করা হচ্ছিল। বর্তমানে ওমরাহ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় সৌদি হজ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনলাইনে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
সৌদি সরকার গত ২৫ জুন এক চিঠির মাধ্যমে জানায়, সৌদি সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ওমরাহ ভিসা প্রদানে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। বরং বর্তমানে ওমরাহ ব্যবস্থাপনার জন্য যে অনলাইন সিস্টেম আছে তাতে কোনো এজেন্সির অনুকূলে ইস্যুকৃত ওমরাহ ভিসাধারীরা সৌদি আরবে আগমনের পর ভিসার মেয়াদ শেষে যদি একটি নির্দিষ্ট হারের অধিক পরিমাণে সৌদি আরব ত্যাগ না করে সে দেশে থেকে যায়, তবে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির অনুকূলে ওমরাহ ভিসা প্রদানের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
এ প্রক্রিয়া শুধু বাংলাদেশ নয়, সব দেশের ওমরাহ পালনকারীদের জন্য প্রযোজ্য।
সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এ বছর ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরব যাওয়া বাংলাদেশিরা গ্রহণযোগ্য হারের চেয়ে অধিক সংখ্যায় সে দেশে থেকে যাওয়ায় বাংলাদেশিদের অনুকূলে ওমরাহ ভিসা প্রসেসিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
ওমরাহ ভিসাধারীদের প্রত্যাবর্তনের পরিমাণ যদি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নেমে আসে তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আবার ওমরাহ ভিসা প্রসেসিং শুরু হবে।
ইআর





