'প্রকাশিত পে-স্কেলকে কর্মচারীদের স্বার্থ পরিপন্থি' বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন পে-কমিশনের প্রকাশিত পে-স্কেলে মারাত্বক বৈষম্যের ১:১২ বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে।
সোমবার সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হকের পাঠানো বিবৃতিতে এ মন্তব্য করা হয়। তারা বলেন, অর্থ মন্ত্রীর নিকট পেশকৃত পে-স্কেলের সুপারিশে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীরা অতীতের ন্যায় এবারও চরমভাবে অবহেলিত ও বঞ্চিত হচ্ছন।
তারা বলেন, পে-স্কেলে সুপারিশে মূখ্য সচিব ও মন্ত্রী পরিষদ সচিবের বেতন এক লক্ষ টাকা, সিনিয়র সচিবদের ৮৮ হাজার টাকা, সচিবদের ৮০ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ম বেতন ৮ হাজার দুইশত টাকা উল্লেখ রয়েছে। বেতন স্কেলের এ বৈষম্যের হার ১:১২।
ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা চরমভাবে হতাশা।অথচ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ১:৫ অনুপাতে বেতন স্কেল নির্ধারণ করার। তারা পে-কমিশনে সর্বনিম্ম বেতন ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণের অনুরোধ জানান।

গণপূর্ত কর্মচারী সংসদ:

এদিকে সোমবার পূর্তভনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংগঠনের সভাপতি আলমগীর হোসাইনের সভাপতিত্বে এ সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জনি, সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান, হাফেজ মফিজুল ইসলাম সরকার, আঃ কাদের মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিন্টু সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, অর্থ সম্পাদক আঃ হামিদ, দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
সভায় নেতারা প্রস্তাবিত ও প্রকাশিত পে-স্কেলকে গরীর কর্মচারীর স্বার্থ পরিপন্থি এবং কর্মকর্তাদের তেলের মাথায় তেল দেয়া বলে মন্তব্য করেন।
তারা বলেন,শ্রমিক কর্মচারী মেহনতী মানুষের কথা চিন্তা না করে ফরিদউদ্দিন প্রস্তাবিত পে-স্কেল ঘোষণা করেন বলে মন্তব্য করেন ন্যাশনাল ওয়ার্কস ফেডারেশনের নেতারা। তারা এ পে-স্কেলকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখান করেছেন।তারা প্রস্তাবিত পে-স্কেল সংশোধন করে ১:৫ হারে প্রবর্তনের দাবি জানান ।

নেতারা বলেন, স্বল্প বেতনের কর্মচারীদের মধ্যে পিয়ন, চৌকিদারদের ৪ থেকে ৬ সদস্যের পরিবারের জীবন যাপন, চিকিৎসা সন্তানের সু-শিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
নেতৃবৃন্দ শুধু স্কেল বৃদ্ধি না করে, নিরাপত্তা বাহিনীর মত সকল কর্মচারীর জন্য চাল, ডাল, চিনি, তৈল, লবন, সাবান, আলু, রেশননিং পদ্ধতির আওতায় আনার দাবী জানান। একই সঙ্গে কর্মচারীদের উন্নত ফ্রি চিকিৎসা, সন্তানের সু-শিক্ষার দায়িত্ব ও সরকারকে বহন করার দাবী জানান।

একে