মেহেরপুরের গাংনীতে সোনালী বর্ণের একটি পুতুলসহ ফজলু সরকার (৫০) নামে এক কথিত জ্বীনের বাদশাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
বুধবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এক নারীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া স্বর্ণের পুতুল দিয়ে টাকা নেওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।
আটক ফজলু সরকার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কমলনারায়নপুর গ্রামের মৃত কসের উদ্দীন সরকারের ছেলে।
বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরে বসবাস করেন।
গাংনী উপজেলার রুয়েকোন্দি গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী লিপি খাতুন জানান, বেশ কিছুদিন আগে গভীর রাতে হঠাৎ তার মোবাইল ফোনে কল আসে। কল রিসিভ করার পর এক ব্যক্তি নিজেকে জ্বীনের বাদশা পরিচয় দিয়ে মাদ্রাসা ও মাজারের জন্য মোমবাতি, আগরবাতি ও কোরআন শরীফ দাবি করে।
কথিত এই জ্বীনের বাদশার দাবি মোতাবেক তাকে এসব কেনার জন্য মোবাইল ফোনের বিকাশের মাধ্যমে এক হাজার ২৫০ টাকা দেন তিনি। এরপর থেকে তাকে নানা প্রলোভন দিতে থাকেন ওই ব্যক্তি।
তিনি আরো জানান, একপর্যায়ে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি স্বর্ণের মূর্তি দেওয়ার কথা বলে জ্বীনের বাদশা। কথা অনুযায়ী বুধবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এসে ভূয়া স্বর্ণের মূর্তিটি এক নজর দেখিয়ে বলে এটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দেখতে।
এ সময় তার কাছ থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নিয়ে নিলে তিন চিৎকার শুরু করেন। এতে লোকজন এসে ওই প্রতারককে আটক করে পুলিশে দেয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, কথিত জ্বীনের বাদশা ফজলু সরকার এলাকার মানুষকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে আসছিলেন। তার নামে প্রতিরণার অভিযোগে গাংনী থানায় মামলা হয়েছে।
এম এ





