রাজধানীর বাড্ডায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত মো. আবদুস সালাম (৪০) মারা গেছেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোববার রাত ১১টার দিকে আবদুস সালামের মৃত্যু হয়।
আবদুস সালাম নিজেকে বাড্ডা ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দাবি করেন। আবদুস সালামের বাড়ি বরগুনার আদর্শনগরে। বাবার নাম মির্জা আলী।
বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল জলিল জানান, এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও তিনজন ঘটনার দিন ও পরের দিন গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট রাতে মধ্যবাড্ডার আদর্শনগর পানির পাম্প এলাকায় সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাহিত্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান গামা,
৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শামসু মোল্লা ও স্থানীয় ক্লিনিকের ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ মানিক। হাসপাতালে নেয়ার পর শামসু মোল্লা ও ফিরোজ আহমেদ মানিক মারা যান। পর দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় গামার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ১৫ আগস্ট গামার বাবা মো. মতিউর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন।
'রাজনৈতিক প্রতিহিংসার' পাশাপাশি কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়ে ‘দ্বন্দ্বের’ জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে সন্দেহ গামার স্বজনদের।
ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন একজন সম্পতি গাজীপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
এআর





