অবরোধের কারণে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মিল্ক ভিটার চিলিং সেন্টার দুধ ক্রয় সীমিত করায় রোববার দুগ্ধ সমবায়ীরা দশ ক্যান দুধ মাটিতে ঢেলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেখানে ক্রেতার অভাবে খোলা বাজারে প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

খামারিরা জানান, অবরোধ শুরুর পর থেকে মিল্ক ভিটা কোটা ভিত্তিক দুধ ক্রয় করছে। অথচ ভাঙ্গুড়ায় মিল্ক ভিটার রেজিট্রিকৃত সমিতিগুলোর এখন দৈনিক দুধের উৎপাদন প্রায় ৫০ হাজার লিটার। রোববার বেলা ১২টায় মধ্যে ক্রয় কেন্দ্রে ২০/২২ হাজার লিটার দুধ চলে আসে। এর মধ্যে মাত্র ৭ হাজার লিটার দুধ ক্রয় করার ঘোষণা দেওয়ায় বেতুয়ান, চরভাঙ্গুড়া ও বিললাহিড়ীবাড়ী গ্রামের ৬টি সমিতির ম্যানেজার ১০ ক্যান দুধ মাটিতে ঢেলে মিল্কভিটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।

ক্রয় কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বেতুয়ান সমিতির দুধ টক হয়ে যাওয়ায় ফেরত দেওয়া হয়েছে। এতে তারা রাগ করে দুধ ঢেলে ফেলেছেন। বেতুয়ান দুগ্ধ সমবায় সমিতির ম্যানেজার শাহ আলম ও রজিবুল ইসলাম তাদের দুধ ফ্রেশ দাবি করে বলেন, দুধ ফেরত দেওয়ার প্রতিবাদে তারা সেখানেই বেশিরভাগ দুধ মাটিতে ঢেলে দিয়েছেন। অবশিষ্ট ২২০ লিটার দুধ আকিজ ও ব্র্যাক চিলিং সেন্টারে তারা বিক্রি করেছেন। তারা অভিযোগ করে বলেন, দুধ টক হলে কি অন্য চিলিং সেন্টার কিনতো?

পাঁচবেতুয়ান সমিতির ম্যানেজার রইচ উদ্দিন অভিযোগ করেন, অবরোধ শুরুর পর থেকে ভাঙ্গুড়ার মিল্কভিটার ক্রয় কেন্দ্র তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করছে। দৈনিক ১০ হাজার লিটার ক্রয়ের কোঠা ঘোষণা করে কেবল মুখ চেনা খামারিদের দুধ কেনা হচ্ছে। এতে তারা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

চিলিং সেন্টারের ব্যবস্থাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম খামারীদের ওই কোটার কথা স্বীকার করে জানান, অবরোধের কারনে ট্যাংকলরি ঠিকমত পরিবহন করতে না পারায় তারা সীমিত পরিসরে দুধ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন।

জেআই