মানবতবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারী কামারুজ্জামানের রিভিউ আবেদন প্রত্যাখান ও মৃতুদন্ড রায় বহাল রাখার প্রতিবাদে শহর জামায়াত-শিবিরের জয়পুরহাট জেলার উদ্যোগে ৪৮ ঘন্টা হরতালের ১ম দিনে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৭ টায় হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। মিছিলের নেতৃত্ব দেন জামায়াত নেতা সুজাউল করিম।

মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলন, এনামুল হক, শিবিরের জেলা দপ্তর সম্পাদক ওমার ফারুক,জয়পুরহাট সরকারী কলেজ সভাপতি মাহফুজুর রহমান,শহর সভাপতি ইমরান হোসেন,শামিম মন্ডল,আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ,সওকাত হোসেন,মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ছাড়াও পাঁচবিবি উপজেলা ও কালাই উপজেলায় হরতালের সমর্থনে মিছিল করেছে শিবির।

এদিকে জেলা জামায়াতের আমীর ড.ফজলুর রহমান সাঈদকে গ্রেফতার করতে যৌথবাহিনী সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় জয়পুরহাট সদর উপজেলার কুজিশহর গ্রামে অভিযান চালায়।

এসময় ড.ফজলুর রহমান কে না পেয়ে পুলিশ ও আওয়ামীলিগ নেতারা তার বাড়ীর দরজা,আসবাবপত্র, ও রান্নার চুলা ভাংচুর করা হয় বলে ফজলুর রহমানের স্ত্রী শামিমা অভিযোগ করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী আবু হাসান জানান, পুলিশের সাথে আওয়ামীলিগের ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাতেম আলী, ছাত্রলীগ নেতা আ:মতিন এই অভিযানে পুলিশের সাথে অংশ নেয়। এছাড়াও একই গ্রামের রেজাউল করিমের বাসা বাড়িতে আভিযান চালিয়ে তার ছেলে সুহেল রানা কে না পেয়ে তার বাড়ীর ৩টি দরজা, আসবাবপত্র ও রান্নার চুলা ভাংচুর করা হয়।

আজ মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমেও এ খবর নিশ্চিত করেছে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আনোয়ার হোসেনে কাছে জানতে চাইলে সকল আভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন-পুলিশ রাতে ফজলুর রহমানের বাড়িতে আভিযানে যায়নি কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এ বিষয়ে আমার জানা নাই।

হরতাল চলাকালীন সময়ে সকল প্রকার দোকান-পাঠ,ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠা,স্কুল কলেজ,ব্যাংক-বীমা বন্ধ ছিল।


ইআর