স্টেরয়েড ইনজেকশন পুশকৃত গরু বেচা-কেনা প্রতিরোধে খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডাক্তার সংকট প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৯ উপজেলার ৩৩টি হাটের পশু পরীক্ষার জন্য ডাক্তার রয়েছে মাত্র ৭জন। এর মধ্যে দুই উপজেলায় কোন পশু ডাক্তার নেই। এরপরও হাটগুলোতে এ দপ্তরের একাধিক টিম কাজ করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা হলেও খুলনাতে স্টেরয়েড পুশ কার পশুর সংখ্যা কম।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সূত্র মতে, এবছর কোরবানীর পশুর হাটে যাতে ষ্টেরয়েড পুশকৃত গরু বিকিকিনি না হয় সেজন্য মেডিক্যাল টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সে আলোকে প্রত্যেক হাটে টিম গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা দপ্তর।
তবে উপজেলাগুলোতে হাটের তুলনায় ডাক্তার সংকট রয়েছে। এবছর ৯ উপজেলায় পশুর হাট বসবে ৩৩টি। এর মধ্যে ডাক্তার রয়েছে মাত্র ৭জন। কয়রা ও দাকোপ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসে কোন পশুর ডাক্তার নেই।
এছাড়া খুলনা সদরের ভেটেরিনারি সার্জন (ডাক্তার) রয়েছেন ট্রেনিংয়ে। এ অবস্থায় হাটগুলোতে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে।
সূত্র জানিয়েছে, কোরবানী উপলক্ষে হাটগুলোতে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী রোগাক্রান্ত গরু বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। এসব রোগের মধ্যে রয়েছে তড়কা, স্টেরয়েড, বাদলা, গলাফোলা, ক্ষুরা, ওলানফোলা উল্লেখযোগ্য।
লাখ লাখ পশুর মধ্যে এসব রোগে আক্রান্ত পশু নিরুপণ করা দুরূহ ব্যাপার। এর মধ্যে দুটি উপজেলায় পদ থাকলেও ডাক্তার কম রয়েছে। এ জন্য মোট ৪০ জন ভেটেরিনারী সার্জন প্রয়োজন।
জেআই





