মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় বাস ও লেগুনার সংঘর্ষে এক শিশু এবং স্বামী-স্ত্রীসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
বুধবার বিকালেঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের নিমতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সে সময় ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর রাতে আরো তিনজন মারা যান বলে জানিয়েছেন সিরাজদিখান থানার এসআই আব্দুস সালাম।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যানবাহন ভাঙচুরসহ এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় হতহতের বেশিরভাগই লেগুনার যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়ার মঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. এরশাদ (৩৫), একই গ্রামের রব্বেজ মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩০) ও তার স্ত্রী সীমা বেগম, সিরাজদিখান উপজেলার লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের দুলাল মিয়ার মেয়ে মাধুরী আক্তার (১৮), রাসেলের বোনের মেয়ে আলো (১০), শিপ্রা মণ্ডল (২৮), আলামিন (১৪) ও সিরাজদিখান উপজেলার লক্ষীবিলাস গ্রামের দুলাল মিয়ার মেয়ে মাধুরী আক্তার (১৮)।
এদের মধ্যে এরশাদ লেগুনা চালক। রাসেল-সীমা দম্পতি ওই লেগুনায় ছিলেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
মুন্সীগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামসুজ্জামান জানান, বিকালে মাওয়াগামী ইলিশ পরিবহনের সঙ্গে ঢাকাগামী লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।
আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আলো নামে শিশুটি মারা যায় এবং রাতে ঢাকার মিডর্ফোট হাসপাতালে আরো দু'জনের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে এবং সড়ক অবরোধ করে রাখে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নিলে এক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।’
পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার পর বাস ও লেগুনাটি আটক করা হলেও বাসের চালক পালিয়ে গেছেন।
কেএইচ





