লালমনিরহাটে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে বির্তক দেখা দিয়েছে। যাচাই-বাছাই নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পাল্টা-পাল্টি সাংবাদিক সম্মেলন ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসুচী পালন করছে। এক গ্রুপ অপর গ্রুপকে ভুয়া মুক্তিাযোদ্ধা বলে দাবী করে আসছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে উত্তোজন দেখা দিয়েছে।

সোমবার (০৩ জুলাই) লালমনিরহাট সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স হলরুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মেজবাহ উদ্দিন দাবী করেন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত সদর উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি’র বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। তারা গত শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন। ওই সব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা যদি তাদের বক্তব্য প্রত্যাহারসহ মিথ্যাচারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করেন তা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মেজবাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধা মানববন্ধন করেন।

এর আগে গত শনিবার দুপুরে জেলা শহরের বার্ণহার্ড কিন্টার গার্ডেন স্কুলের হলরুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি’র সকল কার্যক্রম বাতিল ও ঘাতক বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি কর্ণেল ফারুকের সহযোগী মুক্তিযুদ্ধে পলাতক সৈনিক মেজবাহ উদ্দিনকে গ্রেফতারের দাবী করেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশ। ওই সাংবাদিক সম্মেলনে আরও দাবী করা হয়, উৎকোচের বিনিময়ে প্রকৃত ২০৪ জন মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে মোট ৫৮২ জনের একটি তালিকা সুপারিশ করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রনলয়ে প্রেরন করা হয়েছে। সম্মেলনে আগামী ৮ জুলাই শনিবার জেলা শহরের মিশনমোড়ে মানব বন্ধন কর্মসুচির ঘোষনা দেয়া হয়েছে।

নুরনবী/এমই