নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় ও ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ এর আশঙ্কায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজারে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া মংলা ও পায়রা বন্দরে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা।
এদিকেরাত সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারে ৭ নম্বর সংকেত জারি করা হয় বলে জানান, কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে কক্সবাজারে ৭০/৯০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় কোমেন। এ সময় ৫ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।
এদিকে, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জেলা প্রশাসন থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিমান চলাচল। পাশাপাশি বিমানবন্দরের লাইটিং ব্যবস্থা বন্ধ করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে জেলার কর্তব্যরত সব চিকিৎসক ও নার্সদের ছুটি।
ঝূঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবহৃত হবে আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে।
এআর





