রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অজ্ঞানপার্টির মূলহোতা মিন্টু শিকদারসহ ৯ সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার রাতে ওই অভিযানে আটককৃতদের কাছ থেকে ১৫টি চোরাই মোবাইল সেট, অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত চেতনানাশক ঔষধ, মলম ও অন্যান্য ঔষধ উদ্বার করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদ নাসের জনি ও পুলিশ পরিদর্শক রইছ উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদ নাসের জনি টাইম নিউজবিডি’কে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মতিঝিল থানাধীন আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডে সোহাগ কাউন্টারের সামনে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পেশাদার ও সংঘবদ্ধ অজ্ঞান পার্টির চক্রের মূলহোতা মো. মিন্টু শিকদার  ও অপর সহযোগী  মো. আ. মান্নানকে গ্রেফতার করে।
আটককৃত মো. মিন্টু শিকদারের দেওয়া তথ্য মতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অজ্ঞানপার্টির অপর সদস্য মো. রফিজ শিকদার, মো. মাছুম দেওয়ান, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, মানিক শেখ, ফারুক হোসেন ও মো. নুরুজ্জামানকে আটক করা হয়।
মাহমুদ নাসের জনি আরও বলেন, আটককৃতরা সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে। রাজধানীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে আগত যাত্রীদের গতিবিধি লক্ষ্য করে টার্গেট করে যাত্রীবেশে পরিবহনে উঠে টার্গেটকৃত যাত্রীর সাথে সখ্যতা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যের সাথে চেতনা নাশক মিশ্রিত করে খাইয়ে/পান করিয়ে অজ্ঞান করে তাদের নিকট হতে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে মাঝ পথে নেমে যায়।
তিনি বলেন, এপিটা নামক একটি উচ্চতর ঘুমের ঔষধ রয়েছে। সেই ঘুমের ট্যাবলেটটি পানির সাথে মিশিয়ে টার্গেটকৃত যাত্রীদের খাওয়ালে অজ্ঞান হয়ে পড়ে তখন তারা দ্রুত সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে যায়।
রাজধানীতে অজ্ঞানপার্টির তৎপরতা জিরো টলারেন্সে নামিয়ে না আনা পর্যন্ত গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
[b]ঢাকা, জেইউ, ৯ মে(টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]