মেহেরপুরের গাংনীতে স্ত্রীকে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় সজিব উদ্দীন স্বাধীন (৩৫) নামে এক চিকিৎসককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে সন্ধানী স্কুল এন্ড কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা আহত সজিব উদ্দীন স্বাধীনকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক নাছিম উজ্জামান। সে একই উপজেলার সহড়তলা গ্রামের ছমির উদ্দীনের ছেলে ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সজিব উদ্দীন স্বাধীনের স্ত্রী অ্যাড. মিতা খাতুনকে নিয়ে গাংনীতে বসবাস করেন। সন্ধ্যায় তারা দু’জনে সন্ধানী স্কুল এন্ড কলেজ এলাকায় হাটতে যান। এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের গতিরোধ করে তার স্ত্রী সম্পর্কে অশালিন ভাষায় কথা বলতে থাকে। ঘটনার সময় প্রতিবাদ করে তাদের নাম জানতে চান স্বাধীন।

পরে বাড়িতে তার স্ত্রীকে রেখে কয়েকজনকে নিয়ে ইভটিজারদের খোজখবর নিতে যান সজিব। ইভটিজাররা তাকে দেখে পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাছিম উজ্জামান জানান, স্বজীব উদ্দীন স্বাধীনের মাথায় ১২ টি সেলাই হয়েছে। সে আশংকা মুক্ত নয়। এছাড়াও তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

গাংনী থানার ডিউটি অফিসার এসআই শংকর কুমার জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমই