ভারতের নুমলীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) এ বছরেই বাংলাদেশে তেল রফতানি করবে। এ ব্যাপারে গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও এনআরএলের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।

এনআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি পদ্মনভন শুক্রবার ভারতের সংবাদপত্র টাইমস অব ইন্ডিয়াকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এনআরএলের ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদপত্রটির অনলাইনে শনিবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী অক্টোবরে বিপিসির প্রতিনিধিদল ভারতের আসামে যাবেন। তখন চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।

সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী, এনআরএলের শিলিগুড়ি ও পশ্চিমবঙ্গের বিপণন টার্মিনাল থেকে ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ ইন্দো-বাংলা ‘ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে বছরে ১০ লাখ টন পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ বিপিসির পার্বতীপুরের (দিনাজপুর) ডিপোতে আমদানি করা হবে।

বাংলাদেশ মালয়েশিয়া থেকে তুলনামূলক অনেক কম দামে জ্বালানি তেল আমদানি করে থাকে। ফলে আসামভিত্তিক তেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এনআরএলের তেল রফতানি অনেকটা কঠিন হতে পারে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এনআরএল ২০০৭ সালে নৌপথে বাংলাদেশে চার হাজার ৮০০ টন ডিজেল রফতানি করেছিল। এর রফতানি মূল্য দাঁড়িয়েছিল প্রায় ১৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৫ লাখ টন পেট্রোলিয়াম পদার্থের ঘাটতি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এএইচ