কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে রোহিঙ্গাদের বহনকারী নৌকাডুবির ঘটনা নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে।
আজ (সোমবার) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার শাহপরীর দ্বীপে পশ্চিমপাড়া সমুদ্র উপকূলে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই নারী ও শিশু।
দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফিরে আসা রোহিঙ্গা মো. সুলতান বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনের দামনখালী এলাকা থেকে কমপক্ষে ৬০ জন প্রাণভয়ে সাগরপথে বাংলাদেশের টেকনাফে আসছিলাম। পশ্চিমপাড়া সমুদ্র উপকূলে এসেই নৌকাটি ডুবে যায়। আমরা ২১ জন জীবিত রয়েছি। এ ঘটনায় শিশুসহ ১২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরুল আমিন জানান, ভোররাতে নৌকাডুবির খবর পেয়েছেন। এর পরই স্থানীয়রা সমুদ্র থেকে ৭ জনকে উদ্ধার করেছে।অন্যরা সাঁতরে পার হয়েছে। পরে শিশুসহ ১২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও কমপক্ষে ৩৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের কারণে নৌকাটি ডুবে যায় বলে জানান তিনি।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন জানান, ভোরে টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপে এই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে এ পর্যন্ত ১২ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ জনকে।
তবে নিখোঁজের সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, অর্ধশত রোহিঙ্গা এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনাস্থলে কোস্টগার্ড, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
এমবি





