প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মহিলা জাতীয় ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় গোল্ডেন বুটজয়ী আখিঁ খাতুন।
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব খেলাধুলা বন্ধ। ফলে ঘরে বসে বেকার হয়ে পড়েছেন আঁখি। মহিলা ফুটবল লিগ যেদিন বন্ধ হয় (১৮ মার্চ), সেদিনই গ্রামের বাড়িতে (শাহজাদপুরের) চলে আসেন তিনি। বাড়িতে এসে ফিটনেস ধরে রাখতে প্রতিদিন ফজর নামাজ পড়ে বাড়ির পাশে খেলার মাঠে জগিং ও শারীরিক ব্যায়াম করেন। এছাড়া ভাইয়ের সঙ্গে মাঝে মাঝে বল দিয়ে অনুশীলন করেন। একমাত্র জগিং করতে যাওয়া বাদে বাড়ির বাইরে বেরই হন না আঁখি।
বাবা আক্তার হোসেন। মা গৃহিণী নাছিমা বেগম। বড় ভাই নাজমুল ইসলাম। ছোট্ট টিনের ঘরে বসবাস পরিবারটির। প্রায়ই অসুস্থ থাকেন বাবা। অভাবের সংসার চালাতে হয় মা-বাবার আরেক সন্তান, তাদের একমাত্র কন্যা আঁখি খাতুনকেই। জাতীয় তারকা ফুটবলার তিনি। ফুটবল খেলে যে ১৬-১৭ লাখ টাকা আয় করেছেন, তা দিয়ে ব্যাংকে এফডিআর করেছেন। তাই দিয়েই চলে সংসার। ২০১৭ সাফ অ-১৫ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় গোল্ডেন বুটজয়ী আঁখির পরিবারকে ৫ শতক জায়গা বরাদ্দ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু আজও সেই প্রতিশ্রতি জমি পাননি আঁখির পরিবার।
আঁখির উত্থান ২০১৪ সালে, বঙ্গমাতা স্কুল ফুটবল থেকে (পাড়গোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়)। ২০১৫ সালে জাতীয় দলের ক্যাম্পে (অ-১৪) ডাক আসে। এরপর প্রতিটি বয়সভিত্তিক দলে খেলেন। খেলেছেন সিনিয়র জাতীয় দলেও।
বাবা আক্তার হোসেন। মা গৃহিণী নাছিমা বেগম। বড় ভাই নাজমুল ইসলাম। ছোট্ট টিনের ঘরে বসবাস পরিবারটির। প্রায়ই অসুস্থ থাকেন বাবা। অভাবের সংসার চালাতে হয় মা-বাবার আরেক সন্তান, তাদের একমাত্র কন্যা আঁখি খাতুনকেই। জাতীয় তারকা ফুটবলার তিনি। ফুটবল খেলে যে ১৬-১৭ লাখ টাকা আয় করেছেন, তা দিয়ে ব্যাংকে এফডিআর করেছেন। তাই দিয়েই চলে সংসার। ২০১৭ সাফ অ-১৫ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় গোল্ডেন বুটজয়ী আঁখির পরিবারকে ৫ শতক জায়গা বরাদ্দ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু আজও সেই প্রতিশ্রতি জমি পাননি আঁখির পরিবার। এ নিয়ে সিরাজগঞ্জের এমপি হাসিবুর রহমানকে জানালেও কোন কাজ হয়নি!
গোল্ডেন বুট জয়ী আখিঁ বলেন, প্রবাস ফেরত বাংলাদেশীরাই করোনার বিস্তারের জন্য দায়ী । ‘হোম কোয়ারিন্টিন মানায় তারা একদমই সচেতন ছিল না। তাছাড়া ১০ দিনের সরকারী ছুটি পেয়ে যারা পাগলের মতো গ্রামের বাড়ি ও বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে গিয়েছিল, তারাও কম দায়ী নয়।’
দেশ এখন অঘোষিত লকডাউনে। এতে খাদ্যসংকটে পড়েছেন গরীব ও নিন্ম আয়ের মানুষরা। তাদের সহযোগীতা প্রসঙ্গে আঁখি বলেন, ‘সরকার তো সাহায্য করছেই। তবে তাদের এই সাহায্য যাদের মাধ্যমে পৌঁছায় সেই জনপ্রতিনিধিরাই আবার চাল-তেল চুরি করে তা আত্মসাৎ করছেন। এতে অসহায়রা বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন হলে তো সমস্যাা। মধ্যবিত্তরাও অনেক সমস্যায় আছে। কারণ তারা লজ্জায় কারো কাছে কিছু চাইতে পারে না।’
আঁখি আরও বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হলেই রোগী মারা যাবে, এমনটা নয়। কিন্তু চিকিৎসা পাবার অধিকার সবারই আছে। কাজেই ডাক্তারদের মানসিকতার উন্নতি ঘটিয়ে রোগীকে সেবা দিতে হবে।’
নাজমুল/এমবি





