আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সালাহ উদ্দিন আহমেদের সন্ধান ও আদালতে হাজিরের দাবিতে এ হরতাল আহবান।
রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করেছে কক্সবাজার জেলা বিএনপি।
একইসঙ্গে আগামীকাল শনিবার জেলাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেয় দলটি।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ শাহাজাহান চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।
তিনি দাবি করেন, অবাধ গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচন ও গণতন্ত্রমুক্তির চলমান আন্দোলনের অগ্রনায়ক বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদকে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেছে। কিন্তু আটকের দু’দিন পার হলেও তাকে আদালতে বা থানায় সোপর্দ করা হয়নি। এমনি থানায় জিডিও নেয়া হচ্ছে না।
শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, ‘সালাহ উদ্দিন আহমেদকে সরকার নিশ্চিত আটক করেছে। আটকের দু’দিনেও তার অবস্থান স্পষ্ট না করায় আমরা আশঙ্কা করছি সরকার তাকে নিয়ে গুম নাটক সাজানোর চেষ্টা করছে। এনিয়ে আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। বিএনপি নেতা ইলিয়াছ আলীকেও একইভাবে তুলে নেয়া হয়েছিল।’
বিবৃতি পাঠ শেষে আগামী শনিবার জেলাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ও রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতার ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি সালাহ উদ্দীন আহমদকে আটকের নিন্দাও জানান।
জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক আকতার চৌধুরীর সঞ্চলনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সাংসদ লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড শামীম আরা স্বপ্না, পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মো. আলী, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ আহমদ উজ্জল, ছাত্র সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দীন প্রমুখ।
এদিকে পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পেকুয়ার সন্তান সালাহ উদ্দীন আহমেদকে আটকে পেকুয়ার দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। আটকের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে তারা। পরবর্তী কর্মসূচি জেলা হাইকমান্ডের নির্দেশনাক্রমে পালন করা হবে।’
এ ব্যাপারে পেকেুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা (ওসি) আবদুর রাকিব বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কড়া প্রস্তুত রয়েছে। কোনো নাশকতা ছাড় দেয়া হবে না।’
জেএ





