চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধর্মঘটে যাত্রী ভোগান্তি চরমে। মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার দাবিতে মালিক সমিতি এ ধর্মঘট ডাকে। শনিবার সকাল থেকে এ ধর্মঘট চলছে।

মালিক সমিতির সভাপতি জাহেদুল আনোয়ার চৌধুরী বলেন, উপজেলায় চলাচলে প্রায় দেড়হাজার সিএনজিচালিত গাড়ির লাইসেন্স নেয়ার সময় মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ লিখে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

এতে মহাসড়কে চলাচলের সময় বৈধ লাইসেন্স থাকলেও হাইওয়ে পুলিশ চালক ও মালিকদের হয়রানি করে। এদিকে সীতাকুন্ডে মহাসড়ক ব্যতীত গাড়িগুলো চলাচলের আর কোনো বিকল্প পথ নেই। সরকার আমাদের দাবি না মানলে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি দেয়া হবে।

হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন বলেন, ধর্মঘটের বিষয়টি জানানো হয়নি। সিএনজিমালিক সমিতির একটি সমাবেশের কথা ছিল। তবে বিআরটিএ’র নির্দেশনার বাইরে আমাদেরতো কিছুই করার নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যাত্রী সিএনজিচালিত অটোরিকশার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। বাস চলাচল করলেও স্টেশন না থাকায় যাত্রী নিচ্ছে না। অনেকটা বাধ্য হয়েই যাত্রীরা নছিমন, ভটভটি, রিকশায় করে গন্তব্যে রওনা হন। কারণ চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুন্ড পর্যন্ত যাত্রীদের চলাচলের জন্য লোকাল কোনো বাস না থাকায় কর্মজীবী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম সিএনজিচালিত অটোরিকশা।

সীতাকুন্ড থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল জানান, মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবিতে মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘট সকাল থেকে চলছে। তবে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, টাইনিউজবিডি.কম, জেএ