২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হওয়া এ প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।
নতুন কোনো স্কিমের আওতায় পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর ২০ কিলোমিটার রিভার ক্রসিং সঞ্চালন লাইন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক ওই প্রকল্পের অন্যান্য অংশেও দেখা গেছে ধীরগতি।
এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির চিত্র উঠে এসেছে আইএমইডি’র পরিদর্শন প্রতিবেদনে।
প্রকল্পটি বেঁধে দেওয়া সময়ে বাস্তবায়নের জন্য পিজিসিবিকে লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছে আইএমইডি। আইএমইডি’র পাঠানো সুপারিশের আলোকে নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে পিজিসিবিকে।
আইএমইডি’র প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রকল্পটি গত ২৮ ডিসেম্বর পরিদর্শন করে একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন আইএমইডি’র সেক্টর-১ এর পরিচালক (উপ-সচিব) মোহাম্মদ মাহিদুর রহমান।
প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা প্রকল্পের সরেজমিন প্রতিবেদন তৈরি করে বিদ্যুৎ বিভাগের মাধ্যমে পিজিসিবিকে পাঠিয়েছি। আমাদের কিছু সুপারিশমালাও আছে। প্রকল্পের কিছু কিছু প্যাকেজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছি, প্রকল্পটি নির্দিষ্ট সময়ে বাস্তবায়ন হবে কি না।
পিজিসিবি জানায়, ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেই বিদ্যুৎ দেশের ১৩টি জেলায় পৌঁছে দিতে বিশাল ব্যয়ে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় স্থাপন করা হবে ৬০৯ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন।
পিজিসিবি আরও জানায়, প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার ৯৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার ১ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১ হাজার ২৩৫ কোটি এবং প্রকল্প ঋণ ৮ হাজার ২১৯ কোটি টাকা।
বৈদেশিক ঋণ হিসেবে এ অর্থ দেবে ভারত। ইন্ডিয়ান লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় মিলছে এ ঋণ। ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ১৩টি জেলার ৩৭টি উপজেলায় এই বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন হবে বলে জানিয়েছে পিজিসিবি।
এনএইচ





