বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল-ভুটানের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ত্রিপুরায় গেছে ভারতীয় মালবাহী ট্রাক।
আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে কলকাতার ভোডাফোনের টেলিকমিউনিকেশনের সরঞ্জামাদি নিয়ে একটি ভারতীয় ট্রাক ও কলকাতার ডিএইচএল গ্লোবাল ফরওয়ার্ডিং কোম্পানির চার সদস্যের প্রতিনিধি দল বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ত্রিপুরার আগরতলায় প্রবেশ করে।
এর আগে দুপুর ১২টায় কড়া পুলিশি পাহাড়ায় মালবাহী ট্রাক ও ভারতীয় প্রতিনিধি দলকে বহনকারী মাইক্রোবাসটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে কাস্টমসের প্রয়োজনীয় কাজ শেষে দুপুর দেড়টার দিকে ট্রাক ও মাইক্রোবাসটি আগরতলা প্রবেশ করে। ট্রাকটি আগরতলা হয়ে সরাসারি গৌহাটি যাবে বলে জানা গেছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী কমিশনার মিহির কিরণ চাকমা জানান, ট্রানজিট সুবিধার আওতায় ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মালামাল পরিবহনের এটিই প্রথম চালান
উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলায় পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়।
গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভারতীয় একটি ট্রাক কলকাতা থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে পণ্য নিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
পণ্যবাহী ট্রাকটি বেনাপোল চেকপোস্ট নোম্যান্সল্যান্ডে এসে পৌঁছালে উভয় দেশের কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ী নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষামূলক এ যাত্রাকে স্বাগত জানায়।
জানা গেছে, কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব ১৫৫৯ কিলোমিটার। পূর্বে পণ্য নিয়ে কলকাতা থেকে আগরতলা পৌঁছাতে সময় লাগতো তিন দিন। বাংলাদেশের স্থলপথ ব্যবহারে ফলে কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫৯ কিলোমিটার। এতে এক দিনে ট্রাক পৌঁছে যাবে আগরতলা বন্দরে।
সম্প্রতি সার্কভুক্ত চারটি দেশ বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের মধ্যে যানবাহন চলাচলের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির আওতায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে, চলতি বছরের পহেলা জুনে কলকাতা-ঢাকা-আগরতলার পথে যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু হয়।
এমএ





