ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জেলার নছরতপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিল্পপতি হাজী তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফারুক নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ ও যানবাহন ভাঙচুর করে।
মঙ্গলবার সকালের দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত তাজুল ইসলাম সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল হক চৌধুরীর ছেলে। তিনি বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সিরাজুল হক ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের অলিপুরে অবস্থিত হযরত শাহ ফতেহ গাজীর (র.) মাজার থেকে প্রাইভেটকারে বাড়ি ফেরার পথে উল্লেখিত স্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা সবজিবোঝাই একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট-১৮-৮৩২০) প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থালে তাজুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে নিয়ে যাবার পথে ভৈরব নামক স্থানে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা মহাসড়কের দু’পাশে রাস্তায় গাছ ফেলে অবরোধ করে প্রায় ২০টি যানবাহন ভাঙচুর ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহসড়ক অবরোধ রাখে। ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সিলেটের সংরক্ষিত আসনের এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মাকছুদুর রহমান মনির, সদর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি এজাজুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় লোকদের শান্তনা দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। ফলে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম দুর্ঘনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক আছে।
এমএইচ





