শহর জুড়ে আলোর ঝলকানি, ঢাকের তাল, উলুধ্বনি, সঙ্খের সুর আর শত শত আবাল বৃদ্ধ বণিতার পদচারণায় শেরপুর জেলা শহর এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। দুর্গাপূজার আজ মহানবমী ।
বৃহস্পতিবার মহাষ্টমীর রাতে শহরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দলমত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষ দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে শহরের নয়আনী বাজারস্থ মা ভবতাঁরা মন্দিরে ভূতের ডেরায় নির্মিত দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় করে বিভিন্ন শ্রেণি ও বর্ণের শিশু-কিশোররা।
এখানে প্রবেশ পথে বিভিন্ন ভূতের ভয় উপেক্ষা করে যেতে হয় দুর্গা প্রতিমা দেখতে। তবে বেশির ভাগ শিশু কিশোর প্রতিমা দেখার চেয়ে ভূতের ডেরা দেখতেই ভিড় করে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে চলে মহাষ্টমীর পূজা অর্চনা। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষই নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও পূজার শুভেচ্ছা বিনিময়ে তা সার্বজনীন পূজায় রূপ নিয়েছে।
বুধবার রাতে পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে স্থানীয় গোপাল বাড়ী মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রীতিভোজ।
এসময় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম, এডিসি মোহাম্মদ হায়দর আলী, পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু ও পৌর মেয়র হুমায়ুন কবীর রুমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জন প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সন্ধ্যায় শহরের মা ভবতাঁরা মন্দির প্রাঙ্গনে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপন এবং যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যা বের ভূমিকা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এ সময় র্যাব-১৪ এর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিনায়ক ময়নুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
তিনি জানানো হয়, জেলার ১৫২ টি পূজা মণ্ডপে তাদের সার্বক্ষণিক নজর রয়েছে।
জেআই





