মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রি ও হস্তান্তরের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ৎ
আজ রোববার (২৯ আগস্ট) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত বছর শীর্ষ একটি দৈনিকে ‘মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র বেচতে চায় সরকার’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রগুলো জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জে আই খান পান্না এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে ওই বছরের ১৫ নভেম্বর একটি রিট দায়ের করা।
এ রিটের প্রেক্ষিতে গত বছর ২৪ নভেম্বর একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রগুলো বিক্রি ও হস্তান্তরের কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সহ কয়েকটি বিষয় রুলে জানতে চাওয়া হয়। চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিরক্ষাসচিব, অর্থসচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাণিজ্যসচিবসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
এরপরই মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রি ও হস্তান্তরে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রগুলো জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে বিবাদীদের ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ রিটটি শুনানির জন্য ওঠে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামছ্ উদ্দিন বাবুল ও সৈয়দা নাসরিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।
এবিএস





