গতবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ না বাড়লেও চলতি বছর ব্যাপকভাবে ডেঙ্গু রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (২৩ জুলাই) ১ দিনে সর্বোচ্চ ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আক্রান্তদের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশুদের সংখ্যা।
আজ শনিবার (২৪ জুলাই) সকালে ঢাকা শিশু হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ২৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।
হাসপাতালটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল হাকিম জানান, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জুলাই মাসে প্রায় প্রতিদিনই হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। গতকাল (২৩ জুলাই) ৫ জন এবং তার আগের দিন (২২ জুলাই) ৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।
আর ঈদের আগে গত ২০ জুলাই ১৮ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বৃষ্টি বাড়ায় ডেঙ্গু রোগী আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে রক্ত ও অন্যান্য প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে দেরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীদের স্বজনরা।
বেসরকারি এক কর্মকর্তা জানান, তার মেয়ের জ্বর ও মুখে র্যাশ ওঠায় গত ১৯ তারিখ ডাবল কেবিনে ভর্তি করান। সেদিন সন্ধ্যায় টেস্ট করালেও তার রেজাল্ট পাননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল হাকিম ঈদের ছুটির কারণে টেস্টের রেজাল্ট দিতে দেরি হচ্ছে। আজকেই সবার রেজাল্ট দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, জুনের শুরুতে আমরা দেখেছি এডিস মশার ঘনত্ব অনেক বেশি। সেই অনুযায়ী জুলাই মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়বে বলা হয়েছে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।
শিশু হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী বাড়লেও কমছে করোনা রোগীর সংখ্যা।
তবে সংক্রমণ বাড়ার মধ্যে রোগী কমার কারণ হিসেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদের ছুটির কারণে অনেকেই ঘরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চলতি সপ্তাহ শেষে প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে বলে তারা ধারণা করছে।
জানা যায়, গত সোমবার (১৮ জুলাই) হাসপাতালটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ জন। তবে এখন ১৪ জন রোগী ভর্তি আছেন। যার মধ্যে গতকাল নতুন ভর্তি হয়েছেন ২ জন আর সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ১ জন।
এইচএন





