নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জলঢাকা উপজেলার টটুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মেয়েটি একটি দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার কানিজ সোনিহা বলেন, ‘ধারণা কারা হচ্ছে মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছে। তার শরীর থেকে রক্তকরণ হয়েছে। তার অবস্থা ভাল নয়।’

মেয়েটির বাবা জানান, বুধবার বিকেলে আনুমানিক ৫টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে পরিচিত পিকআপ ভ্যান চালক মারুফুল ইসলাম (৩০) তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গাড়িতে করে কিশোরগঞ্জ উপজেলার অবিলের বাজার এলাকায় নিয়ে যায়।

‘পরে পিকআপে থাকা আরো দুই যুবকসহ সে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।’

জ্ঞান ফিরলে মেয়েটি বাজারের পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং ওই বাড়ির লোকজন তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা থানার ওসি দিলওয়ার হাসান ইনাম বলেন, ‘ঘটনাটি সাংবাদিকদের মাধ্যমে শুনেছি। ঘটনাটি কিশোরগঞ্জে ঘটেছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ বলতে পারবে।’

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, তিনিও ঘটনা শুনেছেন। তবে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন।

এমই