সরকারি চাকরিতে ক্যাডারদের সঙ্গে ননক্যাডারদের বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদ (বাসসকপ)।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মো. জিন্নাত আলী বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া দেশে প্রায় তিন লাখ ননক্যাডার কর্মকর্তার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি পাচ্ছে না। অথচ ক্যাডার শ্রেণীর কর্মকর্তাদের পদ স্বল্পতা থাকলেও তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়। নন ক্যাডারদের পদ খলি থাকলেও তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়। আর পদোন্নতি দেয়া হলেও তাদেরকে নিন্ম বেতন স্কেলে কাজে যোগ দিতে হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সময় ক্যাডার-ননক্যাডার কর্মকর্তাদের কোন বৈষম্য ছিল না। ৭৫ পরবর্তী সময়ের সরকারগুলো তাদের কায়েমি স্বার্থ হাসিল করতে চরম বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। ১৯৯৭ ও ২০০৯ সালে বৈষম্য দূরীকরণে পে কমিশনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও ননক্যাডার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে বেতন ও চাকরিগত সমস্যা থেকেই যায়।’
এ সময় বৈষম্য দূরীকরণে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রবর্তিত ১০টি বেতন ধাপ চালু, সিলেকশন গ্রেড বহাল, উপসচিব পদে উম্মুক্ত পদ্ধতিতে ননক্যাডারদের প্রবেশ, পেনশন বৃদ্ধি, মূল বেতনের ১০ শতাংশ বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিসহ দশ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মো. শফিউল আজমের সভাপতিত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সহ-সভাপতি কোরবান আলী খান, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত মহাসচিব শহীদুল্লাহ, যুগ্ম-সচিব জাহিদ হোসেন, প্রকাশনা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক কামরুল হাসান, সদস্য নাজমা খাতুন প্রমুখ।
জেআই





