বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ২৬ জেলের মধ্যে ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ২২ দিন পর তাদেরকে উদ্ধার করা হলো। বাকী ১২ জনের মধ্যে এক জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে।
জেলেদের স্বজনরা জানান, ২০ জুলাই সন্ধ্যায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। এ সময় এফবি হান্নান শরিফ-২, এফবি মা জননী-১ এবং এফবি মুক্তার মালা-১০ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার চারদিন পর ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধার করার সময় কমলনগরের খায়েরহাট এলাকার ছিডু মাঝির ছেলে সাহাবউদ্দিনের (৫০) লাশ পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনায় উদ্ধার হওয়া জেলে মোঃ শাহ আলম ও মাইন উদ্দিন জানান, ২০ জুলাই মাছ ধরে চট্টগ্রাম ঘাটে ফেরার সময় ২১ জন জেলেসহ তাদের ট্রলারটি ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ৪-৫ ঘণ্টা পর বেঙ্গল কোম্পানির দুইটি ট্রলার তাদের ১১ জনকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে ঘাটে নিয়ে আসে।
এদিকে মুক্তার মালা-১০ নামের ট্রলারটি দুর্ঘটনার পর মালিক বাবুল মেস্তরী বাড়ীতে ফিরে আসলেও তার সহযোগিরা অনেকেরই সাগরে ডুবে মারা যান।
নিখোঁজ জেলেরা হচ্ছেন- রামগতির সুজন গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে আব্বাস উদ্দিন (২৫), আবদুল কুদ্দুসের ছেলে মোঃ আব্বাস (৩২), বালুরচরের হানিফ ফরাজির ছেলে বশির আহমদ (৪০), আসলপাড়ার কামাল উদ্দিন (৪০), শিক্ষা গ্রামের নোমান উদ্দিন (৩০), নোয়াখালীর চরবাগ্গা এলাকার ইব্রাহিম মেস্তুরী (৩২) কমলনগরের খায়েরহাট এলাকার মোঃ আলমগীর (৪০), জসীম মাঝি (৫৫), এবং মোঃ ইসমাইল (৩১) ও সাহাব উদ্দিন (৫০)। রামগতির বালুরচর এলাকার মোঃ হান্নান (৪০), বাংলাবাজার মেস্তুরী বাড়ির মফিজ উদ্দিন (৪২), মহিজল (৩৮), আমজাদ হোসেন (৪৫), সুজন গ্রামের ইদ্রিস মিয়া (৪৩), আসলপাড়ার মফিজ উদ্দিন (৪০), বসু মাঝি ওরফে কালা বসু (৫৫), চরপোড়াগাছার সিরাজ উদ্দিন (৩৫), মোঃ জাহাঙ্গীর (৪৫), মিরাজ উদ্দিন (৩৮) ও নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আক্তার হোসেন (২৫)।
ঢাকা, ১২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





