ভোলার চরফ্যাশনে নবম শ্রেণি পড়ুয়া বোনকে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় ভাই ও পিতা-মাতাসহ ৪ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে ছাত্রলীগ-শ্রমিকলীগ কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

রাত ১০টায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

সূত্র জানায়, আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের জিয়াউল হক হুমায়ুন মিয়ার নবম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় পার্শ্ববর্তী ফরাজী বাড়ির কয়েক বখাটে কয়েকদিন ধরে ইভটিজিং করে আসছে। বিদ্যালয় পড়ুয়া ওই মেয়ে এ ঘটনা তার পরিবারকে জানালে ভাই এসএসসি পরীক্ষার্থী মো: হাসিব ইভটিজিং এর সাথে জড়িতদের জিজ্ঞেস করতে ফরাজী বাড়িতে গেলে তারা হামলা চালায়।

এসময় হাসিবের ডাকচিৎকারে তার মা তাছলিমা বেগম(৪০), চাচী ফরিদা বেগম(৪৫) ও জুলিয়া বেগম ঝুমুর(৩০) হাসিবকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে স্থানীয় মো: হাসান, জাহিদ, আল-আমিন ও মীর রিপনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগের ২০/২৫ জন ক্যাডার তাদেরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।

স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় তাছলিমা বেগম, ফরিদা বেগম, জুলিয়া বেগম ঝুমুর ও হাসিবকে (১৪) উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাছলিমা বেগম, ফরিদা বেগম ও জুলিয়া বেগম ঝুমুরকে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরণ করেছে।

জিয়াউল হক হুমায়ুন মিয়া জানান, আজ শুক্রবার তাদেরকে বরিশাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হবে।

জেএ