বরিশালে মুড়ি তৈরি করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন বরিশালের নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের রাজাখালি, দপদপিয়া, তিমিরকাঠি, ভরতকাঠি ও জুরাকাঠি গ্রামের নারীরা। মুড়ি তৈরির করেই সংসার চালায় এসব নারীরা। দেশের চাহিদা পুরণ করে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে এখানকার মুড়ি।
সংসারে স্বচ্ছলা আনতে মুড়ি তৈরির পেশাকে বেছে নেয় বরিশালের প্রত্যন্ত গ্রামের নারীরা। মুড়ি তৈরি করে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়েছে অনেকে। ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝালকাঠির সদর উপজেলার কির্ত্তীপাশা এবং রাজাপুর গ্রামে মুড়ি তৈরীর কারিগররা।
দুই পদ্ধতিতে মুড়ি ভাজা হয়। যারা সচ্ছল তারা নিজেরা বাজার থেকে ধান কিনে আনেন। এ ধান থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় চাল তৈরি করে। এরপর মুড়ি ভেজে নিজেরাই বাজারজাত করেন। যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল তারা আড়তদারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ করে মুড়ি ভেজে আড়তে সরবরাহ করেন।
তিমিরকাঠি গ্রামে শুখি রানী জানান, ঢেঁকিছাটা চাল থেকে তৈরি মুড়ি স্বাস্থ্যসম্মত হওয়ায় বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে এখনারকার মুড়ি।
রাজাপুরের অনিতা রাণী দাস জানান, পবিত্র রমজান উপলক্ষে মুড়ির চাহিদা বেশি হওয়ায় কাজের চাপ বেড়ে গেছে। প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে মুড়ি তৈরী করে দিই। দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে সুখ্যাতি পাওয়া মুড়ি এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
সরকারি সহযোগিতা পেলে দিন দিন এ শিল্পের প্রসার আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে বেকার সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হবে নারীরা। ঝালকাঠি বিসিক উপ-পরিচালক আশাফুল ইসলাম জানান, মুড়ি তৈরির কারিগররা ঋণ সহায়তা চাইলে তাদের সহায়তা করা হবে।
ঢাকা, ৩ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ





