নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়ক পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে রাস্তার এই বেহাল দশা।
সড়কের পাকা কার্পেটিং ও খোয়া উঠে গিয়ে ছোট-বড় খানা-খন্দ গর্ত হয়ে গেছে। খানা-খন্দ গর্তে ভরা এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। কারণ জেলা শহরে যাওয়ার একমাত্র সড়ক এটিই।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে স্বল্পকালীন কিছু ইটের পরিত্যক্ত অংশ দিয়ে ভরাট করলেও মেরামতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে এই সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগকে গেজেটের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, রাণীনগর উপজেলার আবাদপুুকুর চারমাথা থেকে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার কালীগঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এই সড়ক। জেলার প্রধান একটি সড়ক হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বড় বড় গর্ত ভরাট ও রাস্তা সংস্কার না করায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
দেশের উত্তরাঞ্চলের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁ জেলা। এই জেলার মধ্যে রাণীনগর উপজেলা ধান চাষের জন্য বিখ্যাত। এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত নাটোর-রাজশাহী, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা থেকে আবাদপুকুর হাটের দিনে ধান বোঝাই শত শত ভারি যানবাহন ট্র্যাক, ট্রাক্টর, মিনি ট্র্যাক, ভটভটি, অটোভ্যান চলাচল করে। এতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে সড়কটিতে চলাচলের জন্য সমস্যা দিন দিন আরো বড় আকার ধারণ করছে। জেলা শহর নওগাঁ যাওয়ার একমাত্র নির্ভরযোগ্য সড়কটি হওয়ায় শত দুর্ভোগকে উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রী ও এলাকাবাসীকে। যেন দেখার কেউ নেই।
ব্যবসায়ীসহ গাড়ী চালক ও যাত্রীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আবাদপুকুর থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত সড়কটি অনেক দিন ধরে মেরামত না করায় প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা এখন বিপদজনক খানা-খন্দ গর্তে ভরে গেছে। এই সড়ক দিয়ে ট্রাক কিংবা অন্যান্য যানবাহনের চালকরা বেশি ভাড়া দিলেও যেতে চায় না। দুর্ভোগ থাকা সত্ত্বেও তাই বাধ্য হয়ে যাতায়াত করতে হয়।
নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হামিদুল হক বলেন, সড়কটি পুন: নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্রের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগির নিয়োগ প্রাপ্ত ঠিকাদার কাজ শুরু করলে এই দুর্ভোগ কমে আসবে।
জেড/রাব্বী





